হরিণাকুণ্ডুতে স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা!




ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামে ষষ্ঠ শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ওই শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার একমাত্র আসামী হলেন গোপিনাথপুর গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে নাজমুল (২৫)।

অভিযোগে ওই স্কুল ছাত্রীর মা জানান, শুক্রবার দুপুরে তার মেয়ে পিতার সাথে গ্রামের মাঠে যায়। কাজ শেষে সে একা বাড়ী ফেরার সময় লম্পট নাজমুল জোরপূর্বক তার হাত ও মুখ চেপে ধরে নিকটস্থ পান বরজে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তিতে তার মেয়ের জামা কাপড় ছিড়ে যায়। মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ওই যুবক পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রীর বোন জানান, ওই দিন তার বোনকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে নাজমুল জোর পূর্বক তার মুখ ও হাত চেপে ধরে মাঠের পান বরজে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তিতে তার মেয়ের জামা কাপড় ছিড়ে যায়। মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ওই যুবক পালিয়ে যায়। 

ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রীর বোন জানান, ওই দিন তার বোনকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে নাজমুল জোর পূর্বক তার মুখ ও হাত চেপে ধরে মাঠের পান বরজে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

তিনি অভিযোগ করেন লম্পট নাজমুলের পরিবার এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় এ ঘটনার মিমাংসার জন্য তারা হুমকী দিচ্ছে।

এ দিকে অভিযুক্ত নাজমুলের পিতা আক্তার হোসেন জানান, ঘটনাটি মিথ্যা। সামাজিক ভাবে হেয় করার জন্য মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, অভিযুক্ত নাজমুল লম্পট প্রকৃতির ছেলে। তার নামে এলাকায় এ ধরনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু তাদের পরিবার প্রভাবশালী বলে সে পার পেয়ে যায়।

জানতে চাইলে হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্তের জন্য ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

Post a Comment

0 Comments