১৫ টন চাল চাল চুরির ঘটনায় ইউএনও প্রত্যাহার

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা থেকে প্রত্যাহার হওয়া ইউএনও সাঈকা সাহাদাত (বাঁয়ে) ও নতুন ইউএন নাজমা সিদ্দিকা বেগম। ছবি : সংগৃহীত 

নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈকা সাহাদাতকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁর স্থলে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা সিদ্দিকা বেগমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে সাঈকা সাহাদাতকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে আগামী ৩ মে’র মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদানের আদেশ দেওয়া হয়েছে। তার পরিবর্তে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা সিদ্দিকা আকতারকে পেকুয়ার ইউএনও হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে৷

পেকুয়ার প্রত্যাহারকৃত ইউএনও সাঈকা সাহাদাতের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ১৫ টন চাল কেলেংকারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরপরই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাকে পেকুয়া থেকে প্রত্যাহার করে নতুন ইউএনও নিয়োগ দিল।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও সাঈকা সাহাদাত বলেন, আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর একটিও সত্য নয়। আমি কারো সঙ্গে কোনো অবৈধ লেনদেনে জড়িত নই। টইটং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৫ টন চাল আত্মসাতের একটি মামলা নিয়েই এখন সবাই আমার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে গেছে।

এদিকে করোনাভাইরাসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি বরাদ্দের ১৫ টন চাল আত্মসাৎ করার অভিযোগে এর আগে পেকুয়ার টইটং ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তিনি পেকুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

মামলার পর গত বুধবার টইটং ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। কিন্তু তাঁকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এরই মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার ইউএনও সাঈকা সাহাদাতকে প্রত্যাহার করা হলো।

Post a Comment

0 Comments