ভার্জিন বা কুমারী মেয়ে চেনার উপায় জেনে নিন!


অনলাইন ডেস্ক: কুমারী বা ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় নিয়ে অনেকেরই মনে নানা প্রশ্ন জাগে। আমাদের আজকের আয়োজন কী করে কুমারী বা ভার্জিন মেয়ে চেনা যাবে? কারও মনে আবার এও প্রশ্ন জাগে যে, বিয়ের প্রথম রাতে কীভাবে বুঝা যাবে স্ত্রী সতী কিনা? কুমারীত্ব ঠিক আছে কিনা তা বুঝার কোনো পদ্ধতি থাকলে জানাবেন? তাই সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে আজকের এই লেখা। চলুন দেরি না করে জেনে নেয়া যাক।
ভার্জিন/কুমারী মেয়ে চেনার জন্য ব্রেস্টের কিছু বৈশিষ্ট্য জেনে নিন:
(১) শরীর সমান্তরালে রেখে বিছানায় শোয়া অবস্থায় ব্রেস্ট লক্ষ্য করুন। ভার্জিন হলে ব্রেস্ট ওভাল (ডিম্বাকৃতি) হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)।
(২) এবার ব্রেস্টের বোটা দুটো লক্ষ্য করুন। ভার্জিন মেয়েদেরে বোটা দুটো সামান্য চোখা এবং ছোট হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)।
(৩) দু’হাতে ব্রেস্ট দুটো স্পর্শ করুন। আস্তে আস্তে চাপ দিন। ছেড়ে দিন। আবার চাপুন। ভার্জিন মেয়েদের ব্রেস্টগুলো চাপ দিয়ে ছেড়ে দিলে দ্রুত পুর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অর্থাৎ এলাস্টিসিটি অনেক বেশি হবে। বেশ কয়েকবার চেপেও আপনি এটা বুঝে নিতে পারেন।
তবে স্তন ছোট হবে। চ্যাপ্টা হবে, গোল নয়। দৃঢ় হবে, তুলতুলে নয়। নিপলের চারপাশে যে গাঢ় অংশ থাকে তার রঙ গোলাপি থেকে হালকা বাদামী রঙ এর মতো হবে (কম গাঢ় রঙ হবে) এবং এই অংশ আয়তনে ছোট হবে। নিপলের আকার ছোট হবে।
ভার্জিন/কুমারী মেয়ের যোনীর কিছু বৈশিষ্ট্য জেনে নিন:
(১) ভ্যাজিনায় দুই ধরনের লিপ (ঠোট) থাকে- লিবিয়া মেজরা, লিবিয়া মাইনরা। লিবিয়া মেজরা বাইরের দিকে আর লিবিয়া মাইনরা ভেতরের দিকে থাকে। এদের কাজ হলো যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখা। দুপা ফাক করার পর ভার্জিন মেয়ে হলে লিবিয়া মেজরা একটার সঙ্গে অন্যটা লেগে থেকে যোনী ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে। এবং এটা টান টান ও মসৃন থাকবে।
(২) যদি ভার্জিন মেয়ে না হয় তবে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার সঙ্গে সঙ্গে দুদিকে সরে যাবে। এটা অনেকটা বড় হবে, দুদিকে নেতিয়ে থাকবে, কুচকানো এবং অমসৃন থাকবে।
(৩) অনেক সময় কোনো কারণে লিবিয়া মেজরা পা ফাঁক করার পর দুদিকে সরে যেতে পারে। কিন্তু ভার্জিন মেয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লিবিয়া মাইনোরা যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।
(৪) ভার্জিন মেয়েদের ক্ষেত্রে লিবিয়া মেজরা কিন্তু আকারে ছোট থাকবে অথবা দেখতে টান টান এবং মসৃন থাকবে। ভার্জিন না হলে এটা বড় দেখা যাবে অথবা বাইরের দিকে ঝুলে থাকতে দেখা যাবে এবং অমসৃন ও ভাঁজ যুক্ত হবে।
অনেক সময় অনেক মেয়ের কয়েকবার যৌনমিলনের পরেও হাইমেন বা সতীচ্ছদ অক্ষত থাকে। এদের সিউডোভারজিন বা নকল ভার্জিন বলা হয়। তবে এর হার অনেক কম। 
সাধারণত এভাবেই একটা মেয়ের ভার্জিনিটি চিহ্নিত করা যায়। তবে যেসব মেয়ে বেশি খেলাধুলা, শরীরচর্চা করে, সাইকেল কিংবা মোটরসাইকেল চালায়, ঘোড়ায় চড়ে এবং হস্তমৈথুন করে তাদের হাইমেন বা সতীচ্ছদ ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

Post a Comment

0 Comments