স্কুল শিক্ষকতা ছেড়ে পতিতাবৃত্তি, ঘণ্টায় ২৭ হাজার ছয়শ ৯৭ টাকা আয়!


অনলাইন ডেস্ক:: পৃথিবীর প্রাচীনতম পেশার একটি যৌন ব্যবসা। পৃথিবীর বিভিন্ন সমাজে পতিতাবৃত্তি চলে বিভিন্নরূপে।এনসাইক্লোপেডিয়া বৃটেনিকায় পতিতার সংজ্ঞায়, পতিতা এমন মহিলা যে টাকা বা পণ্যের বিনিময়ে পরিচিত, অপরিচিত, দেশ, ভাষা নির্বিশেষে যে কোনো লোকের সঙ্গে যৌন মিলনে রত হয়। 

কিন্তু এর বাইরেও অবৈধ যৌনসম্পর্ক স্থাপিত হয়। সেখানে কোনো আর্থিক লেনদেন থাকে না। নারী-পুরুষ দুজনেরই যৌন চাহিদার ফলে- এ ধরনের অবৈধ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। এ রকম ঘটনা পৃথিবীব্যাপী আমাদের আনাচে-কানাচে অহরহ ঘটছে।

যাহোক মূলকথায় আসি, একজন শিক্ষিকা সমাজে একজন প্রতিষ্ঠিত নারী। তবে তিনি শিক্ষকতা ছেড়ে বেঁচে নিয়েছে পতিতাবৃত্তি। একটা সময় তিনি নামিদামী একটি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন কিন্তু চাইলেই পুনরায় স্কুলে শিক্ষকতা করতে পারেন। তবে শিক্ষকতার চেয়ে যৌন কর্মী হয়ে থাকাটাই তার কাছে উচ্চ বিলাসী মনে হচ্ছে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, অবিবাহিত মেয়ে হয়েও বর্তমানে চার সন্তানের মা। তার কাছে, যৌনতা পেশাটাই সবচেয়ে আনন্দদায়ক। কেনইবা এই পেশা প্রিয়? সেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ইংল্যান্ডের নটিংহামে বসবাসকারী ৩৪ বছর বয়সী ভিক্টোরিয়া। 

তিনি জানান, প্রতিদিন চারজন খদ্দেরের সঙ্গে যৌন লীলায় মত্ত হন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খদ্দেরের সন্ধান পেয়ে থাকেন। এছাড়া তার যৌন-লীলার নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ঘণ্টায় ২৭ হাজার ছয়শ ৯৭ টাকা আয় করেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, এমন কাজ আমার পছন্দের, যে কাজটা করা যায় ছেলে-মেয়ের পড়াশোনার সময়। তারা যখন বিদ্যালয়ে থাকে। ওই সময়ে সময় দিতে পারলে ভালো হয়। 

৩৪ বছর বয়সী ভিক্টোরিয়ার দাবি, যৌন কর্মী হলেও নিজেকে আদর্শ মা বলে তিনি মনে করেন। তিনি একজন মা হিসেবে ছেলে, মেয়েদের কাছেও খুবই প্রিয়। 

তিনি বলেন, খদ্দেরদের স্মরণ রাখা দরকার যে- আমি এখনো সন্তানদের স্কুলে নিয়ে যেতে চাই। তারপরও আমি খদ্দের সামলানোর চেষ্টা করেছি।খদ্দেরকেই আমার সন্তানকে স্কুলে পড়ার সময় ম্যানেজ করি।

বর্তমানে ভিক্টোরিয়ার তিন ছেলে ও এক মেয়ে আছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির জন্য দুটি প্রামাণ্যচিত্রে কাজ করেছেন তিনি। ওই সময় তিনি জানিয়েছেন, নিজের পেশাকে অনেক সম্মান করেন এবং নিজেকে ভালো মা বলে মনে করেন।

তবে তিনি এও জানিয়েছেন, তার একমাত্র মেয়ে যেনো তার পদাঙ্ক অনুসরণ না করে, সবসময় তিনি  মেয়ের ভালো চান।

Post a Comment

0 Comments